Little SoundPUBLICATION অর্ডার করুন
দ্য ডিজিট — বাংলাদেশে বিনিয়োগের পথ, বইয়ের প্রচ্ছদ
প্রি-অর্ডার চলছে

দ্য ডিজিট

বাংলাদেশে বিনিয়োগের পথ। সংখ্যার ভাষায়।

একই ১০০ টাকা, ৫ বছর পর ৬৭ টাকা।

৳৪৩০ ৳৫০০ প্রি-অর্ডার মূল্য

ক্যাশ অন ডেলিভারিবিকাশসারা দেশে ডেলিভারি
কেন এই বই

পরামর্শের অভাব নেই। অভাব আছে হিসাবের।

অফিসের চায়ের বিরতিতে, বিয়েবাড়ির টেবিলে, ঈদের ছুটিতে বাড়ি গেলে কেউ না কেউ বলবেনই — টাকাটা কোথায় রাখা উচিত। কেউ বলেন জমিতে, কেউ সঞ্চয়পত্রে, কেউ বলেন স্বর্ণ কিনে রাখাই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রতিটি পরামর্শের পেছনে একটা গল্পও থাকে। কিন্তু গল্পের পাশে সংখ্যা থাকে না।

আর সংখ্যা না থাকলে সিদ্ধান্তটা শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসের উপর গিয়ে দাঁড়ায়। মানুষ ঠকে ঠিক ওই জায়গাটাতেই।

এই বইয়ে একটিও অনুমান করা সংখ্যা নেই।

বইয়ের প্রতিটি হার, দাম, খরচ ও অনুপাত বাংলাদেশের সরকারি বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রকাশিত তথ্য থেকে নেওয়া — বাংলাদেশ ব্যাংক, বিবিএস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর, এনবিআর, বিএসইসি, ডিএসই, বাজুস। প্রতিটি সংখ্যার উৎস ও তারিখ সংশ্লিষ্ট সারণির নিচে দেওয়া আছে।

বইয়ের কেন্দ্রীয় সারণি

কর ও মূল্যস্ফীতি বাদ দেওয়ার পর যা থাকে

নমিনাল হার নয় — প্রকৃত রিটার্ন। অর্থাৎ এক বছর পরে আপনার ক্রয়ক্ষমতা আসলে বাড়ল না কমল।

অ্যাসেট ক্লাসরিয়েল রিটার্ন
সঞ্চয়পত্র+২.৪৮%
এফডিআর−০.৯৮%
ডিপিএস−০.৯০%
ফ্ল্যাট (ভাড়া)+১.৬১%
স্বর্ণ+৩.৮৩%
শেয়ারবাজার−১.৮৫%

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক, বিবিএস, ডিএসই — সেপ্টেম্বর ২০২৬। পূর্ণ হিসাব, মেথডলজি ও বাকি পথগুলো বইয়ের ভেতরে।

পদ্ধতি

প্রতিটি পথকে একই ছয়টি প্রশ্ন

কোন বিনিয়োগ “সেরা” তা বলে দেওয়া এই বইয়ের কাজ নয়। কাজ হলো প্রতিটি পথকে একই মানদণ্ডে যাচাই করার পদ্ধতিটা আপনার হাতে তুলে দেওয়া।

নমিনাল রেট

কাগজে লেখা ঘোষিত মুনাফার হার কত?

রিয়েল রিটার্ন

কর ও মূল্যস্ফীতি কাটার পর হাতে কত থাকে?

ন্যূনতম বিনিয়োগ

শুরু করতে কত টাকা লাগে?

তারল্য

দরকারের সময় কত দ্রুত নগদ করা যায়?

ঝুঁকি

সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে কতটা যেতে পারে?

ট্রানজেকশন কস্ট

কেনা ও বেচায় কত খরচ কেটে নেয়?

সূচিপত্র

এগারোটি অধ্যায়, একটি বোনাস অধ্যায়

  1. টাকার আসল হিসাবমূল্যস্ফীতি, CPI এবং রিয়েল রিটার্ন
  2. জমিসবচেয়ে প্রিয় বিনিয়োগ, সবচেয়ে বেশি সময় আটকে থাকা পুঁজি
  3. ফ্ল্যাটছাদ আছে, ভাড়া আছে — রিটার্ন কোথায়?
  4. সরকারি সঞ্চয়পত্রসবচেয়ে ঝুঁকিমুক্ত রিটার্ন, সবচেয়ে বেশি শর্ত
  5. বন্ড ও সুকুকসবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে কম চেনা
  6. স্বর্ণসবচেয়ে পুরনো বিনিয়োগ ব্যবস্থা, সবচেয়ে বড় স্প্রেড
  7. ডিপিএসঅভ্যাস তৈরির সেরা হাতিয়ার, সম্পদ বাড়ানোর দুর্বলতম
  8. এফডিআরসবচেয়ে পরিচিত সঞ্চয়, সবচেয়ে কম ভেবে নেওয়া সিদ্ধান্ত
  9. শেয়ারবাজারসবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা, সবচেয়ে কম ক্ষমা
  10. অ্যাগ্রিটেকফোন থেকে খামারে — নতুন দরজা, পুরনো প্রশ্ন
  11. সর্বহারা!৯টি পথ, ১টি সিদ্ধান্ত আর প্রতারণা চেনায় ৭টি প্রশ্ন
  12. নিজের কিছু একটা? বোনাস অধ্যায়সবচেয়ে বড় রিটার্ন যেখানে, মুক্তিও সেখানে!

সঙ্গে আছে পরিভাষা, উৎসের তালিকা, আর “যেখানে যা নিজে যাচাই করবেন” — হার বদলে গেলেও যেন বইটা অচল না হয়।

বোনাস অধ্যায় ১২

নিজের কিছু একটা?

সবচেয়ে বড় রিটার্ন যেখানে, মুক্তিও সেখানে।

অনেক মানুষ তাঁদের ভেতরের সুর না বাজিয়েই মারা যান। অলিভার ওয়েন্ডেল হোমস

আপনার চেনাজানা যাঁরা সত্যিই সচ্ছল হয়েছেন, তাঁদের কথা একবার ভাবুন। তাঁদের কেউ কি সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দিয়ে সচ্ছল হয়েছেন? সম্ভবত একজনও না। প্রায় সবার গল্পে একটা জিনিস থাকে — নিজের একটা কিছু। দোকান, ওয়ার্কশপ, এজেন্সি, ছোট কারখানা, বাসার ভেতরের একটা সেলাইঘর।

একই টাকার দুই পাশ

৬.২১%আপনি আমানতকারী হিসেবে যা পান — সব তফসিলি ব্যাংকের গড়
১১.৮১%আপনার ওই টাকাই যিনি ধার নিচ্ছেন, তিনি যা দিচ্ছেন

বাংলাদেশ ব্যাংক, ভারিত গড় সুদহার, জুলাই ২০২৬।

কেউ ইচ্ছে করে লোকসান করার জন্য ১১.৮১ শতাংশ সুদে টাকা ধার নেয় না। অর্থাৎ যে ব্যবসাগুলো বছরের পর বছর ব্যাংকের টাকায় চলছে আর কিস্তি দিয়ে যাচ্ছে, তাদের পুঁজির উপর আয় এই হারের চেয়ে বেশি হতেই হবে। সংখ্যাটা কোনো প্রতিশ্রুতি নয় — এটা বলে, যে ব্যবসাগুলো টিকে আছে তাদের রিটার্ন কত হতে বাধ্য।

আপনার বেতন আসলে একধরনের এফডিআর

চাকরি করলে আপনি ইতিমধ্যেই একটা ব্যবসায় যুক্ত আছেন — শুধু ব্যবসাটা আপনার নয়। আয় থেকে কাঁচামাল, ভাড়া, বিদ্যুৎ, সুদ, কর মিটিয়ে যা থাকে সেটা মালিকের; আপনার বেতন ওই খরচগুলোরই একটা, চুক্তিতে লেখা, নির্দিষ্ট। অভিযোগ নয়, বিনিময় — নিচের সীমাটুকু নিশ্চিত করার বদলে উপরের সীমাটুকু ছেড়ে দেওয়া।

বার্ষিক ইনক্রিমেন্টপ্রকৃত পরিবর্তনবাস্তবে কী হলো
৫%−৩.০১%আয় কমেছে
৮%−০.২৪%প্রায় অপরিবর্তিত
১০%+১.৬১%সামান্য এগিয়েছে
১২%+৩.৪৬%সত্যিই এগিয়েছে

মূল্যস্ফীতি ৮.২৬% ধরে, ফিশার সূত্রে। সূত্র: বিবিএস, আগস্ট ২০২৬।

দেশটা আসলে ছোট ব্যবসার

৯৫.৪১% দেশের অর্থনৈতিক ইউনিটের এই অংশই কুটির ও অতিক্ষুদ্র। স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের ৮৭.৩৬% ব্যক্তি বা পরিবারের মালিকানায়। সূত্র: অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪।

বাংলাদেশে ব্যবসা মানে প্রযুক্তি স্টার্টআপ নয়, রপ্তানিমুখী কারখানাও নয় — একটা দোকান, একটা গাড়ি, একটা ওয়ার্কশপ, একটা খাবারের জায়গা। নিজের কিছু শুরু করা মানে দেশের স্বাভাবিক ধারা থেকে বেরিয়ে যাওয়া নয়, বরং সেই ধারায় ঢোকা।

একটা দোকানের দুই রকম হিসাব

ছোট ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি যে ভুলটা হয়, সেটা হিসাবেই — মালিক নিজের শ্রমের কোনো দাম ধরেন না।

মাসিকপ্রচলিত হিসাবসৎ হিসাব
বিক্রি৩,০০,০০০৩,০০,০০০
পণ্যের ক্রয়মূল্য, ভাড়া, বিদ্যুৎ, কর্মীর বেতন−২,৭২,০০০−২,৭২,০০০
নিজের শ্রমের দামধরা হয়নি−৩৫,০০০
ফল+২৮,০০০ “লাভ”−৭,০০০ লোকসান

উদাহরণের সংখ্যাগুলো কাল্পনিক; কাঠামোটা যেকোনো খুচরা ব্যবসায় একই। বইয়ে সমতার বিন্দু ও বিক্রি বাড়লে হিসাবটা কোথায় দাঁড়ায়, দুটোই বের করা আছে।

আর সৎ হিসাবের অন্য পাশটা

২৬.০৪% ছোট ও মাঝারি উদ্যোগে দেওয়া ঋণের এই অংশ খেলাপি, মার্চ ২০২৬-এ। ডিসেম্বর ২০২৫-এ ছিল ২৪.০৩% — তিন মাসেই দুই পয়েন্ট বেড়েছে।

ব্যবসা একইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি রিটার্নের পথ এবং সবচেয়ে বেশি ব্যর্থতার পথ। দুটো কথাই সত্যি। এই অধ্যায়টা বইয়ের একদম শেষে রাখা হয়েছে ইচ্ছে করেই — জরুরি তহবিল, উচ্চ সুদের ঋণ শোধ আর নিরাপদ ভিত্তি তৈরি না করে ব্যবসায় নামা মানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিটা সবার আগে নেওয়া।

  • অধ্যায়ের প্রথম নিয়মটাই হলো — চাকরি ছাড়বেন না, চাকরি রেখেই শুরু করুন। নিয়মিত বেতনই সেই জিনিস যা আপনাকে প্রথম ভুলগুলো করার সুযোগ দেয়।
  • ঝুঁকি কমানোর বাকি সাতটি নিয়ম, পুঁজি ও কাগজপত্রের তালিকা, আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের হিসাব — অধ্যায়ের ভেতরে।

নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগে টিকে থাকা যায়, এগোনো যায় না। দিনের শেষে যে পরিশ্রমটা আপনি করলেন, সেটা তখন আপনার নিজের ঘরেই জমা হয়।

কাদের জন্য

যিনি নিজে হিসাব করতে চান

  • চাকরিজীবী, যিনি প্রথমবার এক লক্ষ টাকা কোথায় রাখবেন ভাবছেন।
  • অবসরের এককালীন টাকা হাতে পাওয়া মানুষ, যাঁকে কেউ কখনো বলেনি কর আর মূল্যস্ফীতি কাটার পর হাতে আসলে কত থাকবে।
  • ছোট ব্যবসায়ী, যিনি জমি-ফ্ল্যাট-সঞ্চয়পত্রের মধ্যে ভাগ করতে চান কিন্তু হিসাবটা মেলাতে পারছেন না।
  • যে কেউ, যাঁর সামনে “প্রতি মাসে নিশ্চিত ৫% মুনাফা”-র প্রস্তাব এসেছে এবং যিনি নিজে যাচাই করে দেখতে চান।

এই বই কাউকে ধনী হওয়ার পথ দেখাবে না।

যেটা দেখাবে সেটা হলো — বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো আসলে কোথায়, আর রিয়েল ডেটার ভিত্তিতে সেগুলোকে অর্থনৈতিক মানদণ্ডে বসালে বাস্তব চিত্রটা কেমন দাঁড়ায়। এটুকু পারলে আপনাকে ঠকানো কঠিন হবে।

অর্ডার ফর্ম

বইটি সংগ্রহ করুন

ফর্মটি পূরণ করুন। আমরা ফোন করে অর্ডার কনফার্ম করে কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেব।

এই নম্বরেই কনফার্মেশন কল যাবে।

ঢাকায় ডেলিভারি চার্জ ৳৭০, ১–২ দিন।

বই ১ কপি × ৳৪৩০৳৪৩০
ডেলিভারি চার্জ৳৭০
সর্বমোট৳৫০০

অর্ডার দিলে আপনার নাম, নম্বর ও ঠিকানা শুধু এই বই পৌঁছে দেওয়ার কাজেই ব্যবহার করা হবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

যা জানতে চাইবেন

বই কবে হাতে পাব?

ঢাকায় অর্ডার কনফার্ম হওয়ার ১–২ কার্যদিবসে, অন্য জেলায় ২–৪ কার্যদিবসে। প্রি-অর্ডারের ক্ষেত্রে বই ছাপা শেষ হওয়ার পর পাঠানো হবে এবং তারিখ আগেই ফোনে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ডেলিভারি চার্জ কত?

ঢাকা জেলায় ৳৭০, বাকি সব জেলায় ৳১৩০। অর্ডার ফর্মে জেলা বেছে নিলেই মোট টাকাটা দেখে নিতে পারবেন।

ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কি সারা দেশে পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। কুরিয়ার যেখানে পৌঁছায়, সেখানেই ক্যাশ অন ডেলিভারি করা যাবে। বই হাতে পেয়ে ডেলিভারিম্যানকে টাকা দেবেন।

বিকাশে পেমেন্ট করলাম, এরপর কী?

সেন্ড মানি করে TrxID ফর্মে লিখে দিন। আমরা পেমেন্ট মিলিয়ে দেখে ফোনে কনফার্ম করব, তারপর বই পাঠিয়ে দেব।

বই পছন্দ না হলে ফেরত দেওয়া যাবে?

বই ছেঁড়া, ভাঁজ পড়া বা ছাপায় সমস্যা থাকলে ডেলিভারিম্যানের সামনেই ফেরত দিতে পারবেন, কোনো টাকা দিতে হবে না। হাতে নেওয়ার পরে পড়া অবস্থায় ফেরত নেওয়া সম্ভব হয় না।

একসঙ্গে অনেক কপি নিতে চাই।

৫ কপির বেশি নিতে চাইলে ফর্মে কপি সংখ্যা লিখে নোটে জানিয়ে দিন, কিংবা সরাসরি ফোন করুন — পাইকারি দরে ব্যবস্থা করা যাবে।

৳৪৩০প্রি-অর্ডার মূল্য
অর্ডার করুন